1. admin@prohorbarta.com : admin :
  2. mahmudsohel437@gmail.com : Sohel Mahamud : Sohel Mahamud
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্ত
দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। 01733124826
সর্বশেষ সংবাদ
মেহেন্দিগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যান পদে জোড়ালো আলোচনায় আলহাজ্ব আব্দুর রহমান জমদ্দার। বর্ষায় অসহায়ের পাশে মানবিক সাজ্জাদ পারভেজ পুলিশের বাধার পরেও এনসিপি নেতাদের মিছিল অবস্থান নাঃগঞ্জে লেবার পার্টির প্রতিনিধি সভায় ডাঃ ইরান গণভোটের গনরায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কার নিশ্চিত করতে হবে বরিশালে প্রতিনিধি সভায় ডাঃ ইরান রাজনীতি এখন পরিনত হয়েছে লাভজন ব্যবসায় প্রধান মন্ত্রী বরিশাল আগমনে জনতার ঢল। ইসরাইল গত ৭ ই জুন ইরানে ৮০ টা বিমান দিয়ে ভয়াবহ হামলা চালায় রাত ভর। রুশ প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করার কোনো কারণ দেখছেন না তিনি। ইরানের মিনাব স্কুলে মার্কিন বোমা হামলায় নিহত কিশোর হেইদার সালেহির বাবা, ছেলের মৃত্যুর ৩ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনও তার পাশেই ঘুমান।

রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনার বিষয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

  • প্রকাশিত রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬
  • ৫৪ ০ বার সংবাদি দেখেছে

প্রহর বার্তা নিউজ ডেক্সাঃ

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মাত্র পাঁচ দিনের তদন্ত শেষে ৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ। চার্জশিটে উঠে এসেছে শিশু রামিসা হত্যার ভয়াবহতা।

রোববার (২৫ মে) পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এই অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

পেশায় অটোরিকশা মেকানিক সোহেল গত ২০ মে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে• স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, প্রধান সন্দেহভাজন সোহেল রানা (৩০) রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার পর আলামত নষ্ট করে। সোহেলকে বাঁচাতে মিথ্যা তথ্য দেয় এবং আলামত নষ্টে সহযোগিতা করে তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুন (২৬)।

জবানবন্দিতে তিনি জানান, সাবলেটের অন্য সদস্যরা কাজে বেরিয়ে যাওয়ার পর সকালে তিনি নিয়মিত মাদক সেবন করতেন। ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পাশের বাসার রামিসাকে দেখতে পেয়ে সোহেল তাকে ডেকে নেন। শিশুটি ঘরে এলে সে তাকে বাথরুমে নিয়ে যান। রামিসা চিৎকার করলে সোহেল তার মুখ চেপে ধরেন এবং মুখে কাপড় গুঁজে দিয়ে ধর্ষণ করেন।

শিশুটির জ্ঞান হারালে মারা গেছে বলে ধরে নেন সোহেল। এরপর প্রমাণ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশুটির মরদেহ বিকৃত করার চেষ্টা করেন।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাথা বিচ্ছিন্ন করার কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও শকে রামিসার মৃত্যু হয়। তার শরীরের সব ক্ষত ছিল মৃত্যুপূর্ববর্তী বা বেঁচে থাকাকালীন।

সোহেলের জবানবন্দিতে পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহও উঠে এসেছে। জবানবন্দিতে বলা হয়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পাশের বাসার রামিসাকে দেখতে পেয়ে সোহেল তাকে ডেকে নেন। শিশুটি ঘরে এলে সে তাকে বাথরুমে নিয়ে যান। রামিসা চিৎকার করলে সোহেল তার মুখ চেপে ধরেন এবং মুখে কাপড় গুঁজে দিয়ে ধর্ষণ করেন।

সোহেল জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সবাই যখন রামিসাকে খুঁজছিল, তখন তার মা আমার ঘরের সামনে রামিসার জুতো দেখতে পান। তিনি রামিসাকে ডাকতে থাকেন। কোনো সাড়া না পেয়ে লোকজন আমার দরজায় ধাক্কা দিতে শুরু করে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমার স্ত্রী আমাকে পালিয়ে যেতে বলে। আমি রেঞ্জ দিয়ে জানালার গ্রিল ভেঙে ফেলি। লোকজন যখন দরজায় সমানে ধাক্কা দিচ্ছিল, তখন আমার স্ত্রী দরজা চেপে ধরে রেখে আমাকে পালাতে সাহায্য করে।’

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ