1. admin@prohorbarta.com : admin :
  2. mahmudsohel437@gmail.com : Sohel Mahamud : Sohel Mahamud
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্ত
দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। 01733124826
সর্বশেষ সংবাদ
রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনার বিষয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। হত্যাকারীর ফাঁসি জনসম্মুখে কার্যকর করতে হবে৷ বরিশালে ডা. আমিনুলের বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখলচেষ্টার অভিযোগ লালমোহনে জেলেদের মাঝে সুশৃঙ্খলভাবে চাল বিতরণ ৩৪,৪৯৭ কোটি টাকার পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণ প্রকল্প পাস আগৈলঝাড়ায় মাদক ব্যবসায়ীর তিন সহযোগীকে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ বরিশাল জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদল৷ ভাইকে কল করে গৃহকর্তা বলেন, ‘সবাইকে মাইরা ফেলছি, আমারে আর পাবি না প্রেমিককে পেতে নিজ ধর্ম ছাড়লেন হিন্দু তরুণী৷ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে সেনা বৃদ্ধির মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির শর্ত প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

  • প্রকাশিত শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০৬ ০ বার সংবাদি দেখেছে

নিউজ ডেক্স:

যৃক্তরাষ্ট ও ইসরাইলের সাথে ইরানের চলমান যুদ্ধবিরতির সময়েই মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন করে ১০ হাজারেরও বেশি সেনা ওই অঞ্চলে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম যা নিশ্চিত করেছেন একাধিক বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা।

সূত্র অনুযায়ী, বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ এইচ.ডব্লিউ. বুশ সহ কয়েকটি জাহাজে করে প্রায় ৬ হাজার সেনা পাঠানো হচ্ছে। পাশাপাশি বক্সার অ্যামফিবিয়াস রেডি গ্রুপ এবং ১১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের প্রায় ৪ হাজার ২০০ সেনা চলতি মাসের শেষ নাগাদ ওই অঞ্চলে পৌঁছাবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা এ অভিযানে যুক্ত হয়েছেন। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ও ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড এই দুটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন রয়েছে, যেগুলো সরাসরি অভিযানে অংশ নিয়েছে। নতুন রণতরী যুক্ত হলে এ অঞ্চলে মার্কিন রণতরির সংখ্যা দাঁড়াবে তিনটিতে।

এদিকে হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ জোরদার করা হয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, ইরানের সমুদ্রপথে বাণিজ্য কার্যক্রম কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, কিছু জাহাজ এখনও এই অবরোধ অতিক্রম করছে।

কর্মকর্তাদের মতে, অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র একদিকে কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যেতে চাইছে, অন্যদিকে প্রয়োজনে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতিও জোরদার করছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ