1. admin@prohorbarta.com : admin :
  2. mahmudsohel437@gmail.com : Sohel Mahamud : Sohel Mahamud
মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্ত
দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। 01733124826
সর্বশেষ সংবাদ
পর্দার নায়ক রাজনীতির ময়দানে চমক দেখালেন: আমিরাতের ফুজাইরা পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় ড্রোন হামলার পর আগুন: বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার অভিযানে রোহিঙ্গা নারীসহ ১ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার: আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বরিশালে শ্রমিক কল্যাণের সমাবেশ ও র‍্যালি সম্পন্ন রামুতে ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন আটক পটুয়াখালীর কলাপাড়ার ভাড়া বাসা থেকে মেহেরুন্নেছা উর্মি (২৮) নামের এক নারী পুলিশ সদস্যের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রূপপুর প্রকল্পে রাশিয়ান নাগরিকের মৃত্যু নেত্রকোনায় বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২ সুনামগঞ্জ আবার বজ্রসহ বৃষ্টি, ধান কাটা ও শুকানো নিয়ে ভোগান্তিতে কৃষক। সিলেটে সৌন্দর্যবর্ধন ও বন্যা প্রতিরোধী অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী

বরিশালের শায়েস্তাবাদে গরু ও মানুষ দুটোই দেখে ভুয়া ডাক্তার মিজান।

  • প্রকাশিত বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৩
  • ৪৭৯ ০ বার সংবাদি দেখেছে

নিউজ ডেস্ক: বরিশালের শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের পানবাড়ীয়া ভেড়ির বাজারে মিজান নামের এক ফার্মেসি ব্যবসায়ির বিরুদ্ধে পল্লী চিকিৎসা ও গরু চিকিৎসার অভিযোগ উঠেছে।

সুত্রে জান যায়, অভিযুক্ত মিজান শরিফ দীর্ঘদিন ধরে শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের পানবাড়িয়া বাজারে সরকারি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করেই ফার্মেসি ব্যবসা পরিচালনা করছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অভিযুক্ত মিজানের একাডেমিক সার্টিফিকেট, পল্লী চিকিৎসক কোর্স, ওষুধ প্রশাসনের লাইসেন্স কিছুই নেই। তারপরও এলাকায় তিনি মস্ত বড় ডাক্তার বনে গেছেন। ফার্মেসিতে বসে বিভিন্ন মানুষের চিকিৎসা করা ছাড়াও বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মহিলা, শিশু, বৃদ্ধ মানুষকে চিকিৎসা দিয়ে আসছেন বলে জানা যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন, মিজান দীর্ঘদিন ধরে ভুলভাল বুঝিয়ে মানুষকে অপচিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে, তার ভুল চিকিৎসায় বিভিন্ন সময়ে অনেকের একাধিক ক্ষতিসাধন হয়েছে। তার কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলেও তিনি নিজেকে পল্লী চিকিৎসক বলে দাবি করেন।

এছাড়াও তিনি গরু ছাগলের চিকিৎসা করে থাকেন যা অত্যন্ত হাস্যকর বিষয়। কোন একাডেমিক চিকিৎসা শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়াই তিনি এই অপচিকিৎসা কিভাবে মানুষকে দিচ্ছেন তা কারোরই বোধগম্য নয়।

তার এই এহেন কর্মকাণ্ডের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফার্মেসি পরিচালনার জন্য কোন লাইসেন্স বা পল্লী চিকিৎসার কোনো সার্টিফিকেটও আমার নেই। আমি এমনিতেই মানুষের সেবা করি এতে দোষের কিছু নেই। এই এলাকায় আরও অনেক ফার্মাসিস্ট আছে যারা এসব কাজ করে থাকেন আপনারা তাদেরকে ধরেন না কেনো।

এ বিষয়ে বরিশালের সিভিল সার্জন বলেন, যারা ফার্মেসি চালায় তাদের অবশ্যই ফার্মাসিস্ট কোর্স করতে হবে এবং ঔষধ প্রশাসন এর নীতিমালার বাহিরে কাউকে সেবা দিতে পারবে না।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ